নিজস্ব প্রতিবেদক :
পাকুন্দিয়া উপজেলার চণ্ডিপাশা ইউনিয়নের বড় আজলদী গ্রামের আফাজ উদ্দিন ২নং ওয়ার্ড থেকে মেম্বার পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ২০১১ সালে ইউপি নির্বাচনে ঘুড়ি প্রতীকে ৮ ভোট পেয়ে জামানত হারালেও হাল ছাড়েননি তিনি। এবারও তিনি নির্বাচন করছেন ঘুড়ি প্রতীক নিয়েই। মুক্তিযুদ্ধের সময় ৮-৯ মাস বয়স। ওই সময় টাইফয়েট জ্বরে আক্রান্ত হলে
চিকিৎসা করাতে না পারায় বাম চোখের আলো নিভে যায়। সেই থেকে তিনি একটি চোখ হারিয়েছেন। পেটের তাগিদে ২০-২২ বছর ধরে রিকশা চালান। রিকশা চালানোর আয়েই সংসার চলে। বিয়েও করেছেন প্রতিবন্ধী মহিলাকে। প্রতিবন্ধী এ দম্পতি
সংসার জীবনে ২ ছেলে ও ২ মেয়ের
বাবা-মা। দুই মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। ছেলে আবু বাক্কার ছিদ্দিক সাগর ৭ম শ্রেণিতে ও জাকির হোসেন ইদু ষষ্ঠ শ্রেণিতে লেখাপড়া
করছে। ৪ঠা জুন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা বিজয় নিশ্চিত করতে ভোটাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ানোর বিপরীতে আফাজ উদ্দিন
রিকশা চালিয়ে যতটুকু সময় পাচ্ছেন
প্রচারণায় কাটাচ্ছেন। আফাজ উদ্দিন
বলেন, ‘গতবার নির্বাচনে ৮ ভোট পেয়েছিলেন। নারান্দী ইউনিয়নে
রিকশার ডাইবার (ড্রাইভার) নবী হোসেন মেম্বার হইতে পারলে আমি অইতে পারুমু না কেন?’
Reviewed by পাকুন্দিয়া প্রতিদিন
on
৮:১৫:০০ PM
Rating:
কোন মন্তব্য নেই: