নিজস্ব প্রতিবেদক,
পাকুন্দিয়ায় বিয়ের দুই দিন আগেই কন্যা
সন্তানের বাবা হলেন মুর্শিদ
উদ্দিন নামে এক যুবক। ঘটনার
সূত্রে জানা যায়, উপজেলার
পৌরসভার লক্ষীয়া রথখোলা
গ্রামের মোহাম্মদ আলীর পুত্র
সবুজ মিয়া প্রায় ৮ বছর আগে
বিয়ে করেন উপজেলার
বর্ষাগাতি কান্দাপাড়া
গ্রামের মৃত আবদুস ছোবানের
কন্যা নিলুফা আক্তারকে।
সাংসারিক জীবনে ওই
দম্পত্তি এক ছেলে ও
এক মেয়ে সন্তানের বাবা-
মা। সবুজ সন্তানদের
ভবির্ষতের কথা চিন্তা করে
বিদেশে (মালদ্বীপ) যান।
এদিকে অন্যসব
প্রবাসী ধনাট্যদের মতই মা
নিলুফা সন্তানদের ভর্তি
করেন পৌর সদর পলিগ্যান
পাবলিক স্কুলে। ওই স্কুলে
প্লে ও নার্সারীতে
ভর্তি করে ছেলেমেয়েকে।
ছেলেমেয়েদের প্রতিদিন
স্কুলে নিয়ে আসা ও ছুঁটির পর
বাড়ি নিয়ে যাওয়াই ছিল
নিলুফার কাজ। নিলুফা সময়
কাঁটাতে বেঁছে নেন
পলিগ্যান স্কুল
সংলগ্ন হাপানিয়া এলাকায়
আবদুল খালেকের পুত্র মুর্শিদ
উদ্দিনের
কম্পিউটার দোকানটি।
এপর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক
গড়ে উঠে দোকান মালীক
মুর্শিদ ও প্রবাসীর স্ত্রী
নিলুফার মধ্যে। পরকিয়ার
জের প্রায়ই দেহ মিলনে
লিপ্ত হত এ প্রেমিকযুগল।
অতঃপর অন্তসত্ত্বা হয়ে পড়ে
নিলুফা। প্রায় এক মাস
আগে স্বামী বিদেশ থেকে
দেশে চলে আসেন। হারবাল
ঔষধ খাওয়ার কারণে
শারিরিক এ অবস্থা বলে
অন্তসত্ত্বার বিষয়টি
গোপন রাখেন নিলুফা। ৩রা
জানুয়ারি পেটে ব্যাথা শুরু
হলে পাকুন্দিয়া
হাসপাতালে নিয়ে আসে।
হাসপাতালে কন্যা সন্তান
জন্ম নিলে প্রকাশ পায় আসল
কাহিনী। নিলুফার
স্বামী সবুজ ঘটনার বিষয়ে
শ্বশুড় বাড়ির লোকজনকে
জানায়।
প্রসূতিকে হাসপাতালে
রেখেই চলতে থাকে ৩
পরিবারের মধ্যে দেন-
দরবার। মঙ্গলবার সবুজ-নিলুফার
বিবাহ বিচ্ছেদ হয় এবং একই
দিন আড়াই লক্ষ টাকা দেনমহর
ধার্য করে মুর্শিদ-নিলুফার
কাবিন রেজিস্ট্রির মাধ্যমে
ফয়সালা হয়। এভাবেই মুর্শিদ
বিয়ে দুই আগেই হলেন কন্যা
সন্তানের বাবা। ফয়সালার
হাসপাতাল থেকে স্ত্রী ও
কন্যা সন্তানকে বাড়িতে
নিয়ে যান মুর্শিদ উদ্দিন।
ঘটনাটি উপজেলাময় ব্যাপক
আলোচিত হয়েছে।
অনেকেই বলছেন বিয়ের দুই
দিন আগেই বাবা হওয়ার
ভাগ্যই বা ক’জনেরই আছে।
Reviewed by পাকুন্দিয়া প্রতিদিন
on
১:৩৬:০০ AM
Rating:
কোন মন্তব্য নেই: