লোকসানে পাট চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে পাকুন্দিয়ার কৃষক
কৃষি প্রতিদিন ডেস্ক
পাকুন্দিয়ায় পাটের আবাদ
কমে যাচ্ছে। ক্রমেই ফিকে
হয়ে আসছে সোনালী আঁশের
সোনালী রং। এ খাতের
নানা অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও
প্রতিকূল আবহাওয়াসহ পাট
চাষ করে দাম না পেয়ে
কৃষকের লোকসানের কারণে
পাট চাষের পরিমাণ কমে
যাচ্ছে। সম্প্রতি পরিবেশ
রক্ষায় পাট উৎপাদন ও
পলিথিন, সিন্থেটিক এর
পরিবর্তে পাটের ব্যবহারের
প্রতি গুরুত্বারোপ করতে
সরকার দেশে উৎপাদিত
সার, চিনি, সিমেন্ট, ফসলের
বীজসহ বিভিন্ন পণ্য
বাজারজাত করতে পাটের
তৈরি ব্যাগ ব্যাবহারের
উপর বাধ্যবাধকতা আরোপ
করে আইন পাস করলেও
আইনের সঠিক প্রয়োগ না
থাকায় সংশ্লিষ্টরা পাটের
ব্যাগ ব্যবহারের প্রতি
উৎসাহিত হচ্ছে না।
জানা যায়, কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলায় এক সময়
দেশের প্রথম সারির অর্থকরী
ফসল সোনালী আঁশখ্যাত
পাটের ব্যাপক আবাদ হতো।
পাকুন্দিয়ায় উৎপন্ন পাটের মান
অত্যন্ত ভাল হওয়ায় দেশের
বিভিন্ন এলাকায় এর ব্যাপক
চাহিদা ছিল।
আগে যে এলাকাতে দেখা যেত যে, ঘুম থেকে উঠেই মানুষ লেগে পড়ত শোলা থেকে পাট বাহির করতে। পুকুরে-পুকুরে, খাল, বিলে। এখন আর সে দৃশ্য এলাকাতে একটিও চোখে পরে না।
সোনালী আঁশের পুরোনো
ঐতিহ্য ফেরাতে এ খাতের
নানা অনিয়ম দূর করে দেশে
পাটজাত পণ্যের সর্বোচ্চ
ব্যবহার নিশ্চিতকরণসহ
সরকারি-বেসরকারিভাবে
বিদেশে কাঁচা পাট ও
পাটজাত পণ্য রপ্তানির
ব্যাপক উদ্যোগ নেয়া
প্রযোজন। এ উদ্যোগ সফল হলে
আবারও বাংলাদেশের
“বাংলার সোনালি আঁশ”
পাট তার ঐতিহ্য ফিরে
পাবে। সেইসাথে একদিকে
যেমন দেশের লাখ লাখ কৃষক
পাটচাষ করে লাভবান হতে
পারবে অপর দিকে পাট ও
পাটজাত পণ্য বিদেশে
রপ্তানি করে দেশ বিপুল
পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা
অর্জনে সক্ষম হবে।
Reviewed by পাকুন্দিয়া প্রতিদিন
on
১০:৪৫:০০ AM
Rating:
কোন মন্তব্য নেই: